মেঘনা উপজেলা নৌ পুলিশের ইনচার্জ আজমগীর হোসেনের ওপর অন্যায়ভাবে আটক করার অভিযোগ তুলে শেখ হাসিনা স্টাইলে বাংলাদেশ চালাচ্ছে বলে দাবি করছেন ছাত্র অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হাসান।
গণঅধিকার পরিষদের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আনন্দ র্যালী শেষে মেঘনা উপজেলা প্রাঙ্গনে এই কথা বলেন তিনি।
এসময় নাজমুল হাসান বলেন, ‘মেঘনার বালুখেকোদের অন্যতম মাস্টারমাইন্ড চালিভাঙা নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আজমগীর। এই আজমগীর জেলেদের ধরে প্রত্যেকের কাছে ২৫ হাজার করে চাঁদা চায়। এরপর জেলেরা যখন মেঘনা উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সাঈদ খোকনের কাছে এসেছিল তখন সাঈদ খোকন আজমগীরের সাথে কথা বলতে গেলে মিথ্যা মামলা দিয়ে তাদের জেলে পাঠিয়ে দেয়। এই আজমগীর আবারও শেখ হাসিনা স্টাইলে বাংলাদেশ চালানোর চেষ্টা করছে।’
গত ২০ অক্টোবর চালিভাঙা ইউনিয়নের মৈশারচর গ্রামের সাঈদ খোকন ও সগীর হোসেনকে আটক পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগের আটক করেছিল নৌ পুলিশ।
মামলার এজাহারে পুলিশ উল্লেখ করে, ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান পরিচালনা করার সময় বাধা দেওয়ায় সাঈদ খোকন ও সগীর হোসেনকে আটক করা হয়েছে।
এদিকে, অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে জানা যায়, পুলিশ প্রথমে জেলেদের আটক করে। জেলেদের জন্য কথা বলতে আসার পর পুলিশ সাঈদ খোকন ও সগীর হোসেনকেও আটক করেছে।
সম্প্রতি একটি সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, সাঈদ খোকন ও সগীর হোসেন নিজে নিজে ফোনে কথা বলতে বলতে রামপুর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির দিকে আসছে।

এই সিসিটিভি ফুটেজ সামনে এনে, গণ অধিকার পরিষদের নেতাকর্মীরা অন্যায়ভাবে আটক করার অভিযোগ তুলেছে নৌ পুলিশের বিরুদ্ধে।
সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ হওয়ার পর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আজমগীর হোসেন বার্তা উন্মোচনকে জানান,

প্রতিবেদক 









