ঢাকা , সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শেখ হাসিনা স্টাইলে বাংলাদেশ চালাতে চাচ্ছে আজমগীর: নাজমুল হাসান

  • প্রতিবেদক
  • আপডেটের সময়: ১০:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৫
  • ২৩৪ সময় দেখুন

মেঘনা উপজেলা নৌ পুলিশের ইনচার্জ আজমগীর হোসেনের ওপর অন্যায়ভাবে আটক করার অভিযোগ তুলে শেখ হাসিনা স্টাইলে বাংলাদেশ চালাচ্ছে বলে দাবি করছেন ছাত্র অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হাসান।

 

গণঅধিকার পরিষদের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আনন্দ র‌্যালী শেষে মেঘনা উপজেলা প্রাঙ্গনে এই কথা বলেন তিনি।

 

এসময় নাজমুল হাসান বলেন, ‘মেঘনার বালুখেকোদের অন্যতম মাস্টারমাইন্ড চালিভাঙা নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আজমগীর। এই আজমগীর জেলেদের ধরে প্রত্যেকের কাছে ২৫ হাজার করে চাঁদা চায়। এরপর জেলেরা যখন মেঘনা উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সাঈদ খোকনের কাছে এসেছিল তখন সাঈদ খোকন আজমগীরের সাথে কথা বলতে গেলে মিথ্যা মামলা দিয়ে তাদের জেলে পাঠিয়ে দেয়। এই আজমগীর আবারও শেখ হাসিনা স্টাইলে বাংলাদেশ চালানোর চেষ্টা করছে।’

 

গত ২০ অক্টোবর চালিভাঙা ইউনিয়নের মৈশারচর গ্রামের সাঈদ খোকন ও  সগীর হোসেনকে আটক পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগের আটক করেছিল নৌ পুলিশ।

 

মামলার এজাহারে পুলিশ উল্লেখ করে, ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান পরিচালনা করার সময় বাধা দেওয়ায় সাঈদ খোকন ও সগীর হোসেনকে আটক করা হয়েছে।

 

এদিকে, অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে জানা যায়, পুলিশ প্রথমে জেলেদের আটক করে। জেলেদের জন্য কথা বলতে আসার পর পুলিশ সাঈদ খোকন ও সগীর হোসেনকেও আটক করেছে।

 

সম্প্রতি একটি সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, সাঈদ খোকন ও সগীর হোসেন নিজে নিজে ফোনে কথা বলতে বলতে রামপুর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির দিকে আসছে।

navy-police

 

এই সিসিটিভি ফুটেজ সামনে এনে, গণ অধিকার পরিষদের নেতাকর্মীরা অন্যায়ভাবে আটক করার অভিযোগ তুলেছে নৌ পুলিশের বিরুদ্ধে।

 

সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ হওয়ার পর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আজমগীর হোসেন বার্তা উন্মোচনকে জানান,

নদীতে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে কিন্তু নিরাপত্তার জন্য তাদেত হাতে হ্যান্ডকাফ লাগানো হয় নাই। কারন আলামিন নামের একজন আমাদের স্পিডবোট থেকে ঝাপ দিয়েছে। সগিরও চেষ্টা করেছে, তাই তাদের আরেকটা নৌকায় করে নেই। ওরা যদি হ্যান্ডকাফ পরা অবস্থায় ভয়ে নদিতে ঝাপ দেয় তাহলে প্রানহানির সম্ভাবনা ছিলো।
তিনি আরও বলেন, সেখানে ওদের দুইটা ট্রলারে ১০/১২ জন ছিলো তারাও আমাদের বড় ধরনের আক্রমন করতে পারত। সব মিলে প্রাণহানির ঝুঁকি এড়াতে সেখানে হ্যান্ডকাফ না লাগিয়ে কথার মাধ্যমে কৌশল প্রয়োগ করে রামপুর ফাঁড়িতে নিয়েছি।
উল্লেখ্য, পুলিশের দায়ের করা মামলায় ইতোমধ্যে সাঈদ খোকন ও সগীর হোসেন দুজনই জামিন পেয়েছেন।

18 / 5,000 আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

Admin

সোহরাওয়ার্দী কলেজে টিসি ভর্তিতে নিচ্ছে অতিরিক্ত টাকা, নেপথ্যে অফিস সহকারী ইব্রাহিম

শেখ হাসিনা স্টাইলে বাংলাদেশ চালাতে চাচ্ছে আজমগীর: নাজমুল হাসান

আপডেটের সময়: ১০:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৫

মেঘনা উপজেলা নৌ পুলিশের ইনচার্জ আজমগীর হোসেনের ওপর অন্যায়ভাবে আটক করার অভিযোগ তুলে শেখ হাসিনা স্টাইলে বাংলাদেশ চালাচ্ছে বলে দাবি করছেন ছাত্র অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হাসান।

 

গণঅধিকার পরিষদের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আনন্দ র‌্যালী শেষে মেঘনা উপজেলা প্রাঙ্গনে এই কথা বলেন তিনি।

 

এসময় নাজমুল হাসান বলেন, ‘মেঘনার বালুখেকোদের অন্যতম মাস্টারমাইন্ড চালিভাঙা নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আজমগীর। এই আজমগীর জেলেদের ধরে প্রত্যেকের কাছে ২৫ হাজার করে চাঁদা চায়। এরপর জেলেরা যখন মেঘনা উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সাঈদ খোকনের কাছে এসেছিল তখন সাঈদ খোকন আজমগীরের সাথে কথা বলতে গেলে মিথ্যা মামলা দিয়ে তাদের জেলে পাঠিয়ে দেয়। এই আজমগীর আবারও শেখ হাসিনা স্টাইলে বাংলাদেশ চালানোর চেষ্টা করছে।’

 

গত ২০ অক্টোবর চালিভাঙা ইউনিয়নের মৈশারচর গ্রামের সাঈদ খোকন ও  সগীর হোসেনকে আটক পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগের আটক করেছিল নৌ পুলিশ।

 

মামলার এজাহারে পুলিশ উল্লেখ করে, ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান পরিচালনা করার সময় বাধা দেওয়ায় সাঈদ খোকন ও সগীর হোসেনকে আটক করা হয়েছে।

 

এদিকে, অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে জানা যায়, পুলিশ প্রথমে জেলেদের আটক করে। জেলেদের জন্য কথা বলতে আসার পর পুলিশ সাঈদ খোকন ও সগীর হোসেনকেও আটক করেছে।

 

সম্প্রতি একটি সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, সাঈদ খোকন ও সগীর হোসেন নিজে নিজে ফোনে কথা বলতে বলতে রামপুর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির দিকে আসছে।

navy-police

 

এই সিসিটিভি ফুটেজ সামনে এনে, গণ অধিকার পরিষদের নেতাকর্মীরা অন্যায়ভাবে আটক করার অভিযোগ তুলেছে নৌ পুলিশের বিরুদ্ধে।

 

সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ হওয়ার পর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আজমগীর হোসেন বার্তা উন্মোচনকে জানান,

নদীতে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে কিন্তু নিরাপত্তার জন্য তাদেত হাতে হ্যান্ডকাফ লাগানো হয় নাই। কারন আলামিন নামের একজন আমাদের স্পিডবোট থেকে ঝাপ দিয়েছে। সগিরও চেষ্টা করেছে, তাই তাদের আরেকটা নৌকায় করে নেই। ওরা যদি হ্যান্ডকাফ পরা অবস্থায় ভয়ে নদিতে ঝাপ দেয় তাহলে প্রানহানির সম্ভাবনা ছিলো।
তিনি আরও বলেন, সেখানে ওদের দুইটা ট্রলারে ১০/১২ জন ছিলো তারাও আমাদের বড় ধরনের আক্রমন করতে পারত। সব মিলে প্রাণহানির ঝুঁকি এড়াতে সেখানে হ্যান্ডকাফ না লাগিয়ে কথার মাধ্যমে কৌশল প্রয়োগ করে রামপুর ফাঁড়িতে নিয়েছি।
উল্লেখ্য, পুলিশের দায়ের করা মামলায় ইতোমধ্যে সাঈদ খোকন ও সগীর হোসেন দুজনই জামিন পেয়েছেন।