ঢাকা , রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আসন বিভাজনে মরিয়া মেঘনার নেতারা, নেপথ্যে অন্তঃকোন্দল

  • প্রতিবেদক
  • আপডেটের সময়: ০৫:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ আগস্ট ২০২৫
  • ১১৭৪ সময় দেখুন

ড. খন্দকার মোশাররফ, রমিজ উদ্দিন লন্ডনী, অধ্যক্ষ সেলিম ভূইয়া (বাম থেকে)

২০০৮ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত কুমিল্লার মেঘনা উপজেলা দাউদকান্দির সাথে মিলে কুমিল্লা-১ আসনের অন্তর্ভুক্ত ছিলো। এরপর মেঘনা উপজেলার আওয়ামী লীগের সভাপতি শফিকুল আলমের উদ্যোগে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে হোমনা উপজেলার সাথে মিশে কুমিল্লা-২ (হোমনা-মেঘনা) নির্বাচনী আসনে পরিবর্তিত হয়।

 

দল-মত নির্বিশেষে প্রত্যেক দলের নেতাকর্মী’রাই বিজয় উল্লাস করেছিল সেদিন। তবে মাত্র ২ বছরের ব্যবধানে সেই মিষ্টি বিতরণ করা নেতাকর্মীদের মধ্যেই সিংহভাগ মানুষ আবার কুমিল্লা-১ (দাউদকান্দি-মেঘনা) আসনে ফিরে যেতে মরিয়া হয়ে উঠেছে।

 

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর দরজায় কড়া নাড়ছে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন। তবে এর আগে আবারও আলোচনায় এসেছে আসন পরিবর্তনের বিষয়টি।

 

নানা আবেদন-নিবেদনের প্রেক্ষিতে আসন পুনর্বিন্যাস করে গত ৩০ জুলাই খসড়া প্রদান করেছে নির্বাচন কমিশন। এই খসড়ায় আবারও মেঘনা উপজেলাকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে দাউদাকান্দি উপজেলার সাথে।

 

May be an image of 3 people and text

 

এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ রাজপথে চলছে যুক্তি-পাল্টা যুক্তির মেলা। কেউ চায় দাউদকান্দি-মেঘনা আবার কেউ হোমনা-মেঘনা।

 

এখন পর্যন্ত মেঘনা উপজেলায় আসন বিভাজন নিয়ে দুই পক্ষের দ্বৈরথ আলোচনার শীর্ষে।

 

জানা যায়, দাউকান্দির-মেঘনা আসনের পক্ষে দাড়িয়েছে মেঘনা উপজেলার বিএনপি (ড. খন্দকার মোশাররফ পন্থী)। অপরদিকে, হোমনা-আসনের জন্য মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন করেছে মেঘনা উপজেলা বিএনপি (অধ্যক্ষ সেলিম ভূইয়া পন্থী),  মেঘনা উপজেলা জামায়াত ইসলামী, মেঘনা উপজেলা গণ অধিকার পরিষদ, মেঘনা উপজেলা জাতীয় পার্টিসহ অন্যান্য দলের নেতাকর্মীরা।

 

May be an image of ‎10 people, dais and ‎text that says '‎হোমনা মেঘনা আসন পূর্ণবহাল চাই বাংলাদেশ নির্বাচন কমি কর্তক জতীয় সংসদের আসন ২৫০ তথা কুমিল্লা-২ সংসদী আসনের সীমানা জোমনা-মঘনা পতেডর র পরিবর্তে দাউদকা (-মেঘনা উপজেলার সমঘ্বয়ে প্রাথমিক সড়্ত তালিকা প্রকাশের বিরুজধে বাংলাদেশ জতীয়তাবাদী বিএনপি মেঘনা উপজেলার শাখার পক্ষে সাংবাদিক সম্মেলন আकिष् আগস্য ২০યે eE পণিমার 即産((町....() পা. पमिमর জূল্থা। কমা, ONY מח আরোজনে: #বাংলাদেশ স্াতীয়তাবাদীদল (বিএনখি), মেঘনা উপজেলা শাখার অঙ্গ হোমনা মেঘনা আসন পূর্ণবহাল চাই সহযোগি সং্গঠন‎'‎‎

 

আসন বিভাজন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনার দ্বন্দ্বে জড়াচ্ছে দুই পক্ষের নেতাকর্মীরা-ই। ফলে খোদ বিএনপির মধ্যেই দৃশ্যমান হচ্ছে দুই পক্ষের তীব্র বিরোধ।

 

কোথায় থেকে শুরু হলো এই বিরোধ? সমাধানের পথ ও ঐক্যের সম্ভাবনা কি আদৌ আছে?

 

যা বলছে তরুণরা

 

মেঘনা উপজেলার উদীয়মান তরুণ স্বপ্নীল সজীব। তার মতে, এই দ্বন্দ্ব প্রকৃতপক্ষে আসন বিভাজন নিয়ে নয়। এই দ্বন্দ্ব মূলত রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই।

 

তিনি আরও জানান, মেঘনা উপজেলার বিএনপির নেতাকর্মীরা একসময় হোমনা উপজেলার এম কে আনোয়ার হোসেনের সাথে রাজনীতিতে যুক্ত ছিলো। এরপর দাউদকান্দি-মেঘনা আসন হওয়ার পর তারা ড. খন্দকার মোশাররফ সাহেবের রাজনীতি করেছে।

 

May be an image of 8 people, dais and text that says 'ফ্যাসিস্ট হাসিনার ২০২৩ সালের ডামি ক্কলি_ে নির্বাচনে বাতিল করে নির্বাচন কুমিল্লা-১ মাসসক. কিলা-পাউদকলদওলেনল্ন্ণবেনকের দাউকান্দি আসন বুনর্বহাল করায় কমিশনকে ধন্যবাদ আয়োজনে: মেঘনা উপজেলা বিএনপি পরিবার ও সর্বন্তরের জনগপ -'

 

গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে মেঘনার সন্তান অধ্যক্ষ সেলিম ভূইয়া যখন তার এলাকায় এসে রাজনৈতিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে তখন তাকে সমর্থন পুরোপুরি দিবে কি দিবেনা তা নিয়ে অনেকেই সন্দিহান ছিলো।

 

পরবর্তীতে সাংগঠনিক দায়িত্ব পাওয়ার পর সেলিম ভূইয়া যখন ড. খন্দকার মোশাররফ সাহেবের রাজনীতি যারা করেছে তাদের মূল্যায়ন করেনি তখন থেকেই এই দ্বৈরথ প্রকাশ্যে আসে।

 

May be an image of 1 person, crowd and text

 

বিএনপির এই দুই গ্রুপের মধ্যে তৈরি হওয়া বিরোধের ঐক্য কোথায় এ সম্পর্কে বলেন, দুই গ্রুপের মাঝে সেখান থেকে যে অবিশ্বাস তৈরি হয়েছে তার ঐক্য আদৌ সম্ভব কি না তা নিয়ে সন্দিহান।

 

দ্বৈরথের সূত্র নিয়ে তরুণ রাজনৈতিক ব্যক্তিদের মতামত

 

মোহাম্মদ বিন ইয়ামিন, আছেন মেঘনা উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্বে। দলের ভিন্নতা থাকলে নিজ উপজেলায় এক দলের দুই গ্রুপের এরকম দ্বন্দ্ব নিয়ে হতাশ তিনি নিজেও।

 

বিন ইয়ামিন বার্তা উন্মোচনকে জানান,  আসন বিভাজন নিয়ে বিএনপির দুই গ্রুপ যেভাবে নিজেদের মধ্যে কোন্দল চলছে, এটা একমাত্র ব্যাক্তিগত আধিপত্য ধরে রাখতেই।

 

No photo description available.

 

বিএনপির একটি গ্রুপকে কোনঠাসা করে, অন্য একটি গ্রুপ মেঘনা আধিপত্য বিস্তার করেছিল। তাই কোনঠাসা গ্রুপটি আসন নিয়ে সক্রিয় হয়েছে এবং মেঘনা কে অন্য উপজেলার সাথে রাখার মাধ্যমে মেঘনা তাদের আধিপত্য বিস্তার পুনরায় ফিরে পেতে মরিয়া। এ থেকে বিএনপি দুই গ্রুপের মধ্যে পুরনো শত্রুতা নতুন করে জেগে উঠেছে।

 

যা বলছে প্রবীণ রাজনীতিবিদরা

 

মেঘনা উপজেলা বিএনপি নেতাকর্মীদের মেধ্য সমধিক পরিচিত একজন আইনজীবী ও কথাসাহিত্যিক জয়নুল আবেদীন।

 

তার মতে, মেঘনা উপজেলার বিএনপির এই দুই গ্রুপের ক্রোন্দল আরো ২০ বছর আগে থেকেই। তৎকালীন সময়ে শাহিন গ্রুপ ও রমিজ গ্রুপ হিসেবে পরিচিত ছিলো তারা।

 

শেখ হাসিনার দীর্ঘ স্বৈরশাসনের পর এই দুই গ্রুপকে এক করে সামনে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ এসেছিলো অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁয়ার কাছে। কিন্তু তিনি তা না করে একটি গ্রুপকেই প্রাধান্য দিয়ে পুরনো দ্বৈরথকে আবারও জাগিয়ে তুলেছেন।

 

ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন একদিন মেঘনায় আসতে চাইলে সেদিন হরতালের ডাক দিয়েছিলেন অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়ার অনুসারীরা।

 

আরও দেখুন

» মেঘনায় বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ

 

প্রত্যাশা ছিলো এই দ্বন্দ্বের অবসান হবে, কিন্তু গত এক বছরে তার উল্টোটা হয়েছে। সামনের দিনগুলোতে সমঝোতার মাধ্যমে  সমাধানে আসবে কি না তা নিয়েও সন্দিহান জয়নুল আবেদীন।

18 / 5,000 আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

Admin

ইউপি সদস্য সাখাওয়াত হোসেনের মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ

আসন বিভাজনে মরিয়া মেঘনার নেতারা, নেপথ্যে অন্তঃকোন্দল

আপডেটের সময়: ০৫:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ আগস্ট ২০২৫

২০০৮ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত কুমিল্লার মেঘনা উপজেলা দাউদকান্দির সাথে মিলে কুমিল্লা-১ আসনের অন্তর্ভুক্ত ছিলো। এরপর মেঘনা উপজেলার আওয়ামী লীগের সভাপতি শফিকুল আলমের উদ্যোগে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে হোমনা উপজেলার সাথে মিশে কুমিল্লা-২ (হোমনা-মেঘনা) নির্বাচনী আসনে পরিবর্তিত হয়।

 

দল-মত নির্বিশেষে প্রত্যেক দলের নেতাকর্মী’রাই বিজয় উল্লাস করেছিল সেদিন। তবে মাত্র ২ বছরের ব্যবধানে সেই মিষ্টি বিতরণ করা নেতাকর্মীদের মধ্যেই সিংহভাগ মানুষ আবার কুমিল্লা-১ (দাউদকান্দি-মেঘনা) আসনে ফিরে যেতে মরিয়া হয়ে উঠেছে।

 

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর দরজায় কড়া নাড়ছে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন। তবে এর আগে আবারও আলোচনায় এসেছে আসন পরিবর্তনের বিষয়টি।

 

নানা আবেদন-নিবেদনের প্রেক্ষিতে আসন পুনর্বিন্যাস করে গত ৩০ জুলাই খসড়া প্রদান করেছে নির্বাচন কমিশন। এই খসড়ায় আবারও মেঘনা উপজেলাকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে দাউদাকান্দি উপজেলার সাথে।

 

May be an image of 3 people and text

 

এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ রাজপথে চলছে যুক্তি-পাল্টা যুক্তির মেলা। কেউ চায় দাউদকান্দি-মেঘনা আবার কেউ হোমনা-মেঘনা।

 

এখন পর্যন্ত মেঘনা উপজেলায় আসন বিভাজন নিয়ে দুই পক্ষের দ্বৈরথ আলোচনার শীর্ষে।

 

জানা যায়, দাউকান্দির-মেঘনা আসনের পক্ষে দাড়িয়েছে মেঘনা উপজেলার বিএনপি (ড. খন্দকার মোশাররফ পন্থী)। অপরদিকে, হোমনা-আসনের জন্য মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন করেছে মেঘনা উপজেলা বিএনপি (অধ্যক্ষ সেলিম ভূইয়া পন্থী),  মেঘনা উপজেলা জামায়াত ইসলামী, মেঘনা উপজেলা গণ অধিকার পরিষদ, মেঘনা উপজেলা জাতীয় পার্টিসহ অন্যান্য দলের নেতাকর্মীরা।

 

May be an image of ‎10 people, dais and ‎text that says '‎হোমনা মেঘনা আসন পূর্ণবহাল চাই বাংলাদেশ নির্বাচন কমি কর্তক জতীয় সংসদের আসন ২৫০ তথা কুমিল্লা-২ সংসদী আসনের সীমানা জোমনা-মঘনা পতেডর র পরিবর্তে দাউদকা (-মেঘনা উপজেলার সমঘ্বয়ে প্রাথমিক সড়্ত তালিকা প্রকাশের বিরুজধে বাংলাদেশ জতীয়তাবাদী বিএনপি মেঘনা উপজেলার শাখার পক্ষে সাংবাদিক সম্মেলন আकिष् আগস্য ২০યે eE পণিমার 即産((町....() পা. पमिमর জূল্থা। কমা, ONY מח আরোজনে: #বাংলাদেশ স্াতীয়তাবাদীদল (বিএনখি), মেঘনা উপজেলা শাখার অঙ্গ হোমনা মেঘনা আসন পূর্ণবহাল চাই সহযোগি সং্গঠন‎'‎‎

 

আসন বিভাজন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনার দ্বন্দ্বে জড়াচ্ছে দুই পক্ষের নেতাকর্মীরা-ই। ফলে খোদ বিএনপির মধ্যেই দৃশ্যমান হচ্ছে দুই পক্ষের তীব্র বিরোধ।

 

কোথায় থেকে শুরু হলো এই বিরোধ? সমাধানের পথ ও ঐক্যের সম্ভাবনা কি আদৌ আছে?

 

যা বলছে তরুণরা

 

মেঘনা উপজেলার উদীয়মান তরুণ স্বপ্নীল সজীব। তার মতে, এই দ্বন্দ্ব প্রকৃতপক্ষে আসন বিভাজন নিয়ে নয়। এই দ্বন্দ্ব মূলত রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই।

 

তিনি আরও জানান, মেঘনা উপজেলার বিএনপির নেতাকর্মীরা একসময় হোমনা উপজেলার এম কে আনোয়ার হোসেনের সাথে রাজনীতিতে যুক্ত ছিলো। এরপর দাউদকান্দি-মেঘনা আসন হওয়ার পর তারা ড. খন্দকার মোশাররফ সাহেবের রাজনীতি করেছে।

 

May be an image of 8 people, dais and text that says 'ফ্যাসিস্ট হাসিনার ২০২৩ সালের ডামি ক্কলি_ে নির্বাচনে বাতিল করে নির্বাচন কুমিল্লা-১ মাসসক. কিলা-পাউদকলদওলেনল্ন্ণবেনকের দাউকান্দি আসন বুনর্বহাল করায় কমিশনকে ধন্যবাদ আয়োজনে: মেঘনা উপজেলা বিএনপি পরিবার ও সর্বন্তরের জনগপ -'

 

গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে মেঘনার সন্তান অধ্যক্ষ সেলিম ভূইয়া যখন তার এলাকায় এসে রাজনৈতিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে তখন তাকে সমর্থন পুরোপুরি দিবে কি দিবেনা তা নিয়ে অনেকেই সন্দিহান ছিলো।

 

পরবর্তীতে সাংগঠনিক দায়িত্ব পাওয়ার পর সেলিম ভূইয়া যখন ড. খন্দকার মোশাররফ সাহেবের রাজনীতি যারা করেছে তাদের মূল্যায়ন করেনি তখন থেকেই এই দ্বৈরথ প্রকাশ্যে আসে।

 

May be an image of 1 person, crowd and text

 

বিএনপির এই দুই গ্রুপের মধ্যে তৈরি হওয়া বিরোধের ঐক্য কোথায় এ সম্পর্কে বলেন, দুই গ্রুপের মাঝে সেখান থেকে যে অবিশ্বাস তৈরি হয়েছে তার ঐক্য আদৌ সম্ভব কি না তা নিয়ে সন্দিহান।

 

দ্বৈরথের সূত্র নিয়ে তরুণ রাজনৈতিক ব্যক্তিদের মতামত

 

মোহাম্মদ বিন ইয়ামিন, আছেন মেঘনা উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্বে। দলের ভিন্নতা থাকলে নিজ উপজেলায় এক দলের দুই গ্রুপের এরকম দ্বন্দ্ব নিয়ে হতাশ তিনি নিজেও।

 

বিন ইয়ামিন বার্তা উন্মোচনকে জানান,  আসন বিভাজন নিয়ে বিএনপির দুই গ্রুপ যেভাবে নিজেদের মধ্যে কোন্দল চলছে, এটা একমাত্র ব্যাক্তিগত আধিপত্য ধরে রাখতেই।

 

No photo description available.

 

বিএনপির একটি গ্রুপকে কোনঠাসা করে, অন্য একটি গ্রুপ মেঘনা আধিপত্য বিস্তার করেছিল। তাই কোনঠাসা গ্রুপটি আসন নিয়ে সক্রিয় হয়েছে এবং মেঘনা কে অন্য উপজেলার সাথে রাখার মাধ্যমে মেঘনা তাদের আধিপত্য বিস্তার পুনরায় ফিরে পেতে মরিয়া। এ থেকে বিএনপি দুই গ্রুপের মধ্যে পুরনো শত্রুতা নতুন করে জেগে উঠেছে।

 

যা বলছে প্রবীণ রাজনীতিবিদরা

 

মেঘনা উপজেলা বিএনপি নেতাকর্মীদের মেধ্য সমধিক পরিচিত একজন আইনজীবী ও কথাসাহিত্যিক জয়নুল আবেদীন।

 

তার মতে, মেঘনা উপজেলার বিএনপির এই দুই গ্রুপের ক্রোন্দল আরো ২০ বছর আগে থেকেই। তৎকালীন সময়ে শাহিন গ্রুপ ও রমিজ গ্রুপ হিসেবে পরিচিত ছিলো তারা।

 

শেখ হাসিনার দীর্ঘ স্বৈরশাসনের পর এই দুই গ্রুপকে এক করে সামনে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ এসেছিলো অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁয়ার কাছে। কিন্তু তিনি তা না করে একটি গ্রুপকেই প্রাধান্য দিয়ে পুরনো দ্বৈরথকে আবারও জাগিয়ে তুলেছেন।

 

ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন একদিন মেঘনায় আসতে চাইলে সেদিন হরতালের ডাক দিয়েছিলেন অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়ার অনুসারীরা।

 

আরও দেখুন

» মেঘনায় বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ

 

প্রত্যাশা ছিলো এই দ্বন্দ্বের অবসান হবে, কিন্তু গত এক বছরে তার উল্টোটা হয়েছে। সামনের দিনগুলোতে সমঝোতার মাধ্যমে  সমাধানে আসবে কি না তা নিয়েও সন্দিহান জয়নুল আবেদীন।