দীর্ঘদিনের একদল কর্তৃক শাসনে হাপিয়ে উঠেছে গোটা দেশ। যার ফলাফল হিসেবে বিশ্ব দেখেছে ৩৬ জুলাইয়ের মতো লাল-সবুজের বাংলার এক ঐতিহাসিক দিন।
শত শত শহীদের রক্ত দিয়ে গড়া এই নতুন বাংলাদেশকে গড়তে হবে নতুন আঙ্গিকে। নানা ঘটনার মধ্য দিয়ে বিদায় নিচ্ছে ২০২৪। নবরূপে আগমণ ঘটবে ২০২৫ এর।
নতুন এই বছরে দেশকে বৈষম্যমুক্ত হিসেবে গড়ে তোলা তরুণ প্রজন্মের মাঝে অন্যতম চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জকে অতিক্রম করতে পারলেই যুগ যুগ এগিয়ে যাবে আমাদের বাংলাদেশ।
আগামী উন্নয়নের মহাসড়কে ধাবমান গতিতে এগিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে নতুন এই বছরে অন্যান্যদের মতো রয়েছে বেশ কিছু প্রত্যাশা। যেগুলোর বাস্তবায়ন হলে স্বস্তির এক দীর্ঘশ্বাস ফেলতে পারবো।
বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে নতুন বছর এমন হওয়া উচিত যেখানে জনগণের চাহিদা ও অধিকার সঠিকভাবে পূরণ হয়। এক্ষেত্রে যেসকল বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন সেগুলো উল্লেখ করা হলো:
স্বচ্ছ ও ন্যায়বিচারপূর্ণ প্রশাসন: সরকার ও প্রশাসনের প্রতিটি কাজ স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক হবে। বিচারব্যবস্থার স্বাধীনতা ও কার্যকারিতা নিশ্চিত করা হবে।
মুক্ত মতপ্রকাশের অধিকার: সংবাদমাধ্যম, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, এবং সাধারণ জনগণের মতামত প্রকাশের পূর্ণ স্বাধীনতা থাকবে। ভিন্নমতকে সম্মান করা হবে।
নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা: সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা হবে। সন্ত্রাস, দমন-পীড়ন ও সহিংসতা রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
সমান সুযোগ ও উন্নয়ন: শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং কর্মসংস্থানে সবার জন্য সমান সুযোগ থাকবে। সামাজিক বৈষম্য দূর করে অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা হবে।
পরিবেশ ও স্থায়িত্ব: পরিবেশ রক্ষায় কার্যকর পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা হবে। নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার বাড়ানো হবে।
জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ: জনগণের মতামত নীতি-নির্ধারণে গুরুত্ব পাবে। স্থানীয় ও জাতীয় নির্বাচনে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে।
মানবাধিকার রক্ষা: প্রতিটি নাগরিকের অধিকার নিশ্চিত করা হবে, বিশেষ করে সংখ্যালঘু এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর। এক কথায়, গণতান্ত্রিক দেশে নতুন বছর হবে এমন, যেখানে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটবে।

প্রতিবেদক 









