ঢাকা , বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভবন তৈরি,নেই কার্যক্রম: এক বছরেও চালু হয়নি কলেজ ক্যান্টিন

  • প্রতিবেদক
  • আপডেটের সময়: ০১:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬
  • ১৭২ সময় দেখুন

suhrawardi college

মোহাইমিনুল হাসান,সোহরাওয়ার্দী কলেজ প্রতিনিধি

 

রাজধানীর পুরান ঢাকার এতিহ্যবাহী সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজে শিক্ষার্থীদের বহুল প্রত্যাশিত ক্যান্টিন ভবনের নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে প্রায় এক বছর আগে। তবে এখনো শুরু হয়নি ক্যান্টিনের কার্যক্রম। ফলে প্রতিদিন মানসম্মত খাবার জন্য চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের।

 

কলেজে প্রতিদিন শত শত শিক্ষার্থীর উপস্থিতি থাকলেও নেই মানসম্মত খাবারের কোনো স্থায়ী ব্যবস্থা। ক্লাসের ফাঁকে কিংবা দীর্ঘ সময় ক্যাম্পাসে অবস্থান করলেও শিক্ষার্থীদের ভরসা করতে হচ্ছে বাইরের হোটেল ও দোকানের ওপর। এতে যেমন সময় নষ্ট হচ্ছে,তেমনি বাড়ছে অতিরিক্ত খরচও।

 

সমাজকর্ম বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী উল্লাস বলেন,ক্যান্টিন চালু হলে শিক্ষার্থীদের অনেক সুবিধা হতো। বিশেষ করে দূর থেকে আসা শিক্ষার্থীদের জন্য এটি খুব প্রয়োজন।

 

রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ এর শিক্ষার্থী আরমান আলী বলেন,ভবন তৈরি হওয়ার পরও ব্যবহার না হওয়াটা সত্যিই হতাশাজনক। দ্রুত ক্যান্টিন চালু করা উচিত।

 

সরেজমিনে দেখা যায়,ক্যান্টিন ভবনের অবকাঠামোগত কাজ শেষ হলেও ভেতরে এখনো কোনো কার্যক্রম নেই।

 

এ বিষয়ে কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড.কাকলী মুখোপাধ্যায় জানান,ক্যান্টিন নির্মাণে কোনো সরকারি বরাদ্দ ছিল না। শিক্ষার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে কলেজের উন্নয়ন তহবিল থেকে এটি নির্মাণ করা হয়েছে।

 

ক্যান্টিন চালু না হওয়ার বিষয়ে তিনি জানান, পরিচালনার জন্য উপযুক্ত ব্যক্তি নির্বাচন ও কিছু প্রশাসনিক জটিলতার কারণে দেরি হচ্ছে। এ ছাড়া ক্যান্টিন ভাড়ার অর্থ কোন খাতে জমা হবে, সে বিষয়ে এখনো স্পষ্ট নির্দেশনা পাওয়া যায়নি। বিষয়টি নিয়ে মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা চলছে।

 

তিনি আরও বলেন, নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই ক্যান্টিন চালু করা হবে এবং এটি অবশ্যই শিক্ষার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে।

 

তবে দ্রুত ক্যান্টিন চালুর দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। তাদের মতে,একটি সচল ক্যান্টিন শুধু খাবারের ব্যবস্থা নয়,শিক্ষার্থীদের জন্য স্বস্তিদায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ট্যাগ :

18 / 5,000 আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

Admin

জনপ্রিয় পোস্ট

সোহরাওয়ার্দী কলেজে টিসি ভর্তিতে নিচ্ছে অতিরিক্ত টাকা, নেপথ্যে অফিস সহকারী ইব্রাহিম

ভবন তৈরি,নেই কার্যক্রম: এক বছরেও চালু হয়নি কলেজ ক্যান্টিন

আপডেটের সময়: ০১:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬

মোহাইমিনুল হাসান,সোহরাওয়ার্দী কলেজ প্রতিনিধি

 

রাজধানীর পুরান ঢাকার এতিহ্যবাহী সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজে শিক্ষার্থীদের বহুল প্রত্যাশিত ক্যান্টিন ভবনের নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে প্রায় এক বছর আগে। তবে এখনো শুরু হয়নি ক্যান্টিনের কার্যক্রম। ফলে প্রতিদিন মানসম্মত খাবার জন্য চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের।

 

কলেজে প্রতিদিন শত শত শিক্ষার্থীর উপস্থিতি থাকলেও নেই মানসম্মত খাবারের কোনো স্থায়ী ব্যবস্থা। ক্লাসের ফাঁকে কিংবা দীর্ঘ সময় ক্যাম্পাসে অবস্থান করলেও শিক্ষার্থীদের ভরসা করতে হচ্ছে বাইরের হোটেল ও দোকানের ওপর। এতে যেমন সময় নষ্ট হচ্ছে,তেমনি বাড়ছে অতিরিক্ত খরচও।

 

সমাজকর্ম বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী উল্লাস বলেন,ক্যান্টিন চালু হলে শিক্ষার্থীদের অনেক সুবিধা হতো। বিশেষ করে দূর থেকে আসা শিক্ষার্থীদের জন্য এটি খুব প্রয়োজন।

 

রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ এর শিক্ষার্থী আরমান আলী বলেন,ভবন তৈরি হওয়ার পরও ব্যবহার না হওয়াটা সত্যিই হতাশাজনক। দ্রুত ক্যান্টিন চালু করা উচিত।

 

সরেজমিনে দেখা যায়,ক্যান্টিন ভবনের অবকাঠামোগত কাজ শেষ হলেও ভেতরে এখনো কোনো কার্যক্রম নেই।

 

এ বিষয়ে কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড.কাকলী মুখোপাধ্যায় জানান,ক্যান্টিন নির্মাণে কোনো সরকারি বরাদ্দ ছিল না। শিক্ষার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে কলেজের উন্নয়ন তহবিল থেকে এটি নির্মাণ করা হয়েছে।

 

ক্যান্টিন চালু না হওয়ার বিষয়ে তিনি জানান, পরিচালনার জন্য উপযুক্ত ব্যক্তি নির্বাচন ও কিছু প্রশাসনিক জটিলতার কারণে দেরি হচ্ছে। এ ছাড়া ক্যান্টিন ভাড়ার অর্থ কোন খাতে জমা হবে, সে বিষয়ে এখনো স্পষ্ট নির্দেশনা পাওয়া যায়নি। বিষয়টি নিয়ে মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা চলছে।

 

তিনি আরও বলেন, নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই ক্যান্টিন চালু করা হবে এবং এটি অবশ্যই শিক্ষার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে।

 

তবে দ্রুত ক্যান্টিন চালুর দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। তাদের মতে,একটি সচল ক্যান্টিন শুধু খাবারের ব্যবস্থা নয়,শিক্ষার্থীদের জন্য স্বস্তিদায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।